হার্টথ্রব

প্রতিলিপির পাতায় আমার নতুন গল্প হার্টথ্রব। পড়ার আমন্ত্রণ রইল। এই লিঙ্কে দেখুন। প্রতিলিপির পাতাতে মতামত জানাবার অনুরোধ রইল।

বাগেশ্রী

প্রতিলিপির পাতায় আমার নতুন গল্প বাগেশ্রী। পড়ার আমন্ত্রণ রইল। এই লিঙ্কে দেখুন। প্রতিলিপির পাতাতে মতামত জানাবার অনুরোধ রইল।

পরীরা এসেছিল

শিশু বয়সে মনের কোণে গড়ে ওঠে এক স্বপ্নের জগত।রূপকথারা এসে ছুঁয়ে যায় সেই মনের জানালায়। তেমনি এক ছোট্ট মেয়ের গল্প লিখেছি প্রতিলিপির প্রতিযোগিতার পাতায়।সেই গল্প আছে এই লিঙ্কে।  আপনাদের পড়ার জন্যে অনুরোধ রইল। সঙ্গে মতামত পেলে খুশি হব।

ফিরে দেখা

পৃথিবী ও ঘুরতে ঘুরতে আরেকটা চক্কর লাগিয়েই ফেলল। নতুন বছর এসে গেল।অনেক গুলো  মুহূর্ত, কিছু ভালো লাগার  কিছু মন্দ লাগার ,সবগুলোকে  অতীতের তকমা লাগিয়ে পেছনে ফেলে আমরা আবার ছুটে চলব সামনের দিকে। পুরানো সম্পর্ক গুলোকে সঙ্গে নিয়ে চলতে চলতে  পরিচয় হবে  অনেক নতুন মানুষের সঙ্গে,  গড়ে উঠবে  নতুন সম্পর্ক, নতুন সমীকরণ। সারা জীবনে এক জন…

অলস মনে…

অঘ্রাণ মাস টা এখন ও পড়েনি তবু একটা শীত শীত ভাব সকাল বেলাটায় এই পাহাড় ঘেরা পুনে শহরে ।রোদ টাও একটু একটু করে মিঠে হচ্ছে। কুয়াশার মসলিন চাদর পাহাড় থেকে সমতলের  ওপর হাল্কা করে ছড়িয়ে রয়েছে। শীত আসছে। একটা দুটো পটকার আওয়াজ মাঝেমধ্যেই  এদিক ওদিক  থেকে ভেসে  আসে। দিওয়ালীর ছুটির  আমেজ  আকাশে বাতাসে।পাল্লা দিয়ে  আলসেমিতে ভরা …

ঝরা ফুল

আমাদের আশপাশে  প্রতিনিয়ত ঘটে চলা নানা ঘটনার প্রতিফলন উঠে আসে লেখায়। পুরানো দিনের  সমাজের চিত্র সেভাবেই উঠে এসেছে এমনি এক লেখায়।স্বাধীনতার পূর্ববর্ত্তী কালে রচিত এই গল্পে উপস্থাপিত হয়েছে গ্রাম বাংলার সমাজ জীবন, যেখানে মেয়েদের জন্যে বিবাহই ছিল একমাত্র  জীবনের লক্ষ্য আর সেই সঙ্গে  উপস্থিত ছিল রক্ষণশীলতার মোড়কে নারী সমাজ কে পদানত করে রাখার ব্যবস্থা। সেই সময়ে এক সাধারণ…

দূর্গাপূজার টুকরো স্মৃতি

বছরঘুরে দূর্গাপূজা আবার দোরগোড়ায় এসে গেল। গণেশ চতুর্থী আর বিশ্বকর্মা পূজার পর এবার দূর্গাপূজার কাউন্টডাউন শুরু। দূর্গাপূজা মানেই উৎসব।আত্মীয় স্বজন বন্ধু বান্ধব সবাইকে নিয়ে আনন্দ করার উৎসব। যদিও পুনে তে এই হইহই রইরই ভাবটা আশা করাটাই মূর্খামি তবু পুনেবাসী হয়ে আমরাও এই আনন্দটা বেশ ভালো করেই উপভোগ করি।বরঞ্চ বলব অতিরিক্ত ভীড়ভাট্টা না থাকায় বেশ ভালোই লাগে। পূজা…

চলা

পিছন ফিরে দেখতে নেই, কষ্ট বাড়ে তাই হাজার সুতোর টান ছিঁড়ে সামনের দিকে জোরে হেঁটে চলি। ফেলে এসেছি  ঘরবাড়ি, আপনজন,বড় আমগাছটা , মাধবীলতায় জড়ানো থাম,এমনকি পোষা বেড়ালটাও। একটা দীর্ঘশ্বাস সঙ্গী ছিল, এইমাত্র সে ও চলে গেল, ক্রমশ দীর্ঘ থেকে দীর্ঘতর  পথে দুঃখ গুলোও একে একে  ঝরে পড়ে ঝাপসা হল  কাঁচ, অগুন্তি ভালোবাসা দূরে সরিয়ে এক অদ্ভুত…

দূরত্ব

সেই কবে থেকে চিনি তোমায় এখন ঠিক  কেন  যে চিনতে পারিনা জানিনা, আস্তরণ পড়েছে আমার চোখে না তোমার মুখ হারিয়ে গেছে মুখোশের তলায়! কে বলবে সে কথা? হয়তো এর কোনটাই নয়, হয়তো মধ্যবর্ত্তী এই গভীর খাদ দূরত্বে কিছুটা দৃষ্টিগোচর,কিছুটা কাল্পনিক, ধূসর হতে হতে কুয়াশায় মিলিয়ে গেছে চিরপরিচিত অবয়বটা। অপেক্ষায় আছি শবরীর মতো যদি সরে মেঘ,ঝলমলে আলোয় ভাসে চারধার রামধনু সেতু দিয়ে পৌঁছে যাব আরো…